মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের ডিসেম্বরে তফসিল, ফেব্রুয়ারিতে ভোট—চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে ইসি খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করছে তারেক রহমানের দেশে ফেরা ইমরান খানকে নিয়ে গুজব থামছে না: পরিবার–আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা বন্ধ, উদ্বেগে সমর্থকরা তারেক রহমান দেশে ফেরার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নোয়াখালীর হাতিয়ায় বিয়ের অনুষ্ঠানে সাউন্ড বক্স বাজানোকে কেন্দ্র করে পরিবারকে বেত্রাঘাত ও জরিমানা বাংলাদেশে আবার ভূমিকম্প, বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে নির্বাচন করতে চান এনসিপি’র এহসানুল করিম তানজিল ঘরে বসেই রিচার্জ হবে মেট্রোরেল কার্ড: ডিজিটাল সেবায় বড় অগ্রগতি মনোনয়ন নিয়ে বিএনপিতে অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন, একাধিক আসনে বিক্ষোভ–সমঝোতার উদ্যোগে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব

ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক বঙ্কিম ব্রহ্মভট্টের বিরুদ্ধে ৫০ কোটি ডলারের জালিয়াতির অভিযোগ

  • আপডেট টাইম শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৭০ বার পঠিত
ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন বঙ্কিম ব্রহ্মভট্ট
ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন বঙ্কিম ব্রহ্মভট্ট

ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক বঙ্কিম ব্রহ্মভট্টের বিরুদ্ধে ৫০ কোটি ডলারের ঋণ জালিয়াতির অভিযোগ, কাঁপছে মার্কিন বিনিয়োগ বাজার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যবসায়ী ও টেলিকম কর্মকর্তা বঙ্কিম ব্রহ্মভট্ট। তাঁর বিরুদ্ধে আনা হয়েছে ৫০ কোটি ডলার (প্রায় ৪ হাজার ৪৩০ কোটি টাকা) মূল্যের বিশাল ঋণ জালিয়াতির অভিযোগ। ব্ল্যাকরক (BlackRock)-এর প্রাইভেট ক্রেডিট শাখা এইচপিএস ইনভেস্টমেন্ট পার্টনার্স-সহ একাধিক মার্কিন বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান এই অভিযোগ এনেছে।

কীভাবে ঘটল এই জালিয়াতি?

মার্কিন প্রভাবশালী দৈনিক দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রহ্মভট্ট তাঁর মালিকানাধীন দুটি প্রতিষ্ঠান ব্রডব্যান্ড টেলিকমব্রিজভয়েস-এর নামে ভুয়া ইনভয়েস, জাল ক্লায়েন্ট এবং নকল ইমেল ডোমেইন ব্যবহার করে কাগজে-কলমে এক বিশাল ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন।
ঋণের গ্যারান্টি হিসেবে তৈরি করা হয় ভুয়ো “অ্যাকাউন্টস রিসিভেবল” (Accounts Receivable)— অর্থাৎ এমন গ্রাহক তালিকা, যাদের কাছ থেকে কোটি কোটি ডলার পাওয়ার কথা বলা হলেও, বাস্তবে সেই গ্রাহকদের অস্তিত্বই নেই।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই মিথ্যা তথ্যের মাধ্যমে তিনি ব্ল্যাকরক ও আরও কয়েকটি ঋণদাতা সংস্থার কাছ থেকে ৫০ কোটি ডলারেরও বেশি ঋণ সংগ্রহ করেন। পরে সেই টাকা ভারতের পাশাপাশি মরিশাসের বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়।

কে এই বঙ্কিম ব্রহ্মভট্ট?

বঙ্কিম ব্রহ্মভট্ট বৈশ্বিক টেলিকম খাতের অপরিচিত হলেও, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে বাঙ্কাই গ্রুপ তাঁকে প্রেসিডেন্ট ও সিইও হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়। সেই সময় গ্রুপটি এক্স (পূর্বে টুইটার)-এ পোস্ট করে জানায়, তাদের সংস্থা বিশ্বব্যাপী টেলিকম নেটওয়ার্ক ও ইনফ্রাস্ট্রাকচার সলিউশন সরবরাহ করে।
তবে ঘটনার পরপরই ব্রহ্মভট্টের লিঙ্কডইন প্রোফাইল মুছে ফেলা হয়েছে, এবং তাঁর নিউইয়র্কের গার্ডেন সিটি অফিসও বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।

আরো পড়ুনঃ বুসানে ট্রাম্প–শি বৈঠক

 

ব্ল্যাকরকের তদন্তে কী উঠে এসেছে?

২০২৪ সালের শেষ দিকে ব্ল্যাকরক তাদের একটি রুটিন অডিটে ব্রহ্মভট্টের প্রতিষ্ঠানের নথিতে অসঙ্গতি খুঁজে পায়। দেখা যায়, বহু ইমেইল নকল ডোমেইন থেকে পাঠানো, এবং তথাকথিত ক্লায়েন্টদের কোনো লেনদেনের রেকর্ডই নেই।
তদন্তে আরও উঠে আসে, ২০২০ সাল থেকেই তাঁর প্রতিষ্ঠান ঋণ নিয়ে আসছিল, যা ২০২৪ সালের মধ্যে দাঁড়ায় প্রায় ৪৩০ মিলিয়ন ডলারে।

ব্রহ্মভট্টের আইনজীবীর দাবি

গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও ব্রহ্মভট্টের আইনজীবী সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, “এই মামলাটি ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”
তবে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি কেবল এক ব্যক্তির প্রতারণা নয়, বরং বৈশ্বিক প্রাইভেট ক্রেডিট মার্কেটের বিশ্বাসযোগ্যতায় বড় আঘাত

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© 2026 The Bengal Bulletin. All rights reserved.
Skip to toolbar