বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) জানিয়েছে, এনইআইআর সিস্টেম প্রতিটি মোবাইল হ্যান্ডসেটের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইএমইআই নম্বরকে ব্যবহারকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং ব্যবহৃত সিমের সঙ্গে যুক্ত করে নিবন্ধিত করবে। এতে বৈধ ও অবৈধ হ্যান্ডসেট সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।
বিটিআরসির প্রধান উপদেষ্টা ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানিয়েছেন, এনইআইআর চালুর ফলে সরকারের প্রতি বছর প্রায় ৫০০ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি রোধ হবে। একইসঙ্গে দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, এবং দেশীয় মোবাইল উৎপাদন শিল্প আরও সুরক্ষিত হবে।
নতুন ফোন নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার পর অস্থায়ীভাবে সচল থাকবে। বৈধতা যাচাইয়ের পর তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে।
অবৈধ ফোন শনাক্ত হলে গ্রাহককে এসএমএসে জানানো হবে এবং এক মাসের মধ্যে সঠিক তথ্য না দিলে ফোন নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন হবে।
বিদেশ থেকে আনা বা উপহার পাওয়া ফোন প্রাথমিকভাবে সচল থাকবে। তবে ৩০ দিনের মধ্যে neir.btrc.gov.bd পোর্টালে গিয়ে Special Registration সেকশনে আইএমইআই নম্বরসহ প্রমাণপত্র (পাসপোর্ট, ভিসা, ক্রয় রশিদ ইত্যাদি) আপলোড করতে হবে।
মেসেজে লিখুন: KYD <space> ১৫ ডিজিটের IMEI নম্বর এবং পাঠান ১৬০০২ নম্বরে।
চুরি বা হারানো ফোন অনলাইনে ব্লক/আনলক করা যাবে।
ফোন বিক্রি বা হস্তান্তরের আগে ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ বাধ্যতামূলক। এটি Citizen Portal, MNO Portal, Mobile Apps বা *১৬১৬১# এর মাধ্যমে করা যাবে।
ডি-রেজিস্ট্রেশনের জন্য সিম অবশ্যই নিজের নামে নিবন্ধিত হতে হবে।
সাইবার অপরাধ ও ফোন ক্লোনিং কমবে
সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে
দেশীয় মোবাইল শিল্প সুরক্ষিত হবে
নকল ও চোরাই ফোনের বাজার কমবে
গ্রাহকের নিরাপত্তা ও ট্র্যাকিং সহজ হবে
বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী বলেন, “এনইআইআর চালু হলে বাংলাদেশের টেলিকম খাত একটি নতুন, নিরাপদ ও স্বচ্ছ যুগে প্রবেশ করবে।”
১৬ ডিসেম্বর থেকে নতুন সিস্টেমের কার্যক্রম শুরু হলে দেশে মোবাইল ব্যবহারের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে এবং অবৈধ হ্যান্ডসেটের বাজার প্রায় বিলুপ্তির পথে যাবে।
👍👍