সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, হেফাজতে ইসলাম একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক সংগঠন। নির্বাচনে জোটবদ্ধ হওয়া বা কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া সংস্থার নীতিমালার পরিপন্থী। তিনি আরও বলেন, “আমাদের কোনো নেতা বা কর্মী ব্যক্তিগতভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলেও তা তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। সংগঠন কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেবে না।”
সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতের মহাসচিব মুহাম্মদ সাজিদুর রহমান বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকার কর্তৃক সংগীত শিক্ষক নিয়োগ এবং ধর্মীয় শিক্ষকের অভাব সমাজে সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। তিনি আহ্বান জানান, সব বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষকের নতুন নিয়োগ বিধিমালা প্রণয়ন করা হোক এবং সংগীত শিক্ষক নিয়োগ বাতিল করা হোক।
মাওলানা মামুনুল হক আরও বলেন, পবিত্র কোরআন অবমাননার ঘটনায় সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে আইন প্রণয়নের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, হেফাজতে ইসলাম কখনোই আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া বা আক্রমণকে সমর্থন করে না।
সংবাদ সম্মেলনে হাজির ছিলেন হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতারা—আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, মহাসচিব মুহাম্মদ সাজিদুর রহমান এবং যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ আজিজুল হক ইসলামাবাদী। অনুষ্ঠানটি দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়।
হেফাজতের পক্ষ থেকে দেওয়া লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, ধর্ম অবমাননার সুযোগে সমাজে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হচ্ছে এবং এ ধরনের পরিস্থিতি প্রতিরোধে কঠোর আইন প্রণয়ন জরুরি।
3 thoughts on "হেফাজতে ইসলাম: জামায়াতে ইসলামী নিয়ে আমিরের মন্তব্য ব্যক্তিগত, সংগঠন অরাজনৈতিক"