ঢাকা, মঙ্গলবার:
অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা প্রশাসনকে দলীয়করণ করে ‘নীলনকশার নির্বাচন’ আয়োজনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত—এমন অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।
মঙ্গলবার রাজধানীর মৎস্য ভবন মোড়ে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি বলেন, সরকারের চার থেকে পাঁচজন উপদেষ্টা একটি বিশেষ দলের স্বার্থে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগগুলো নিয়ন্ত্রণ করছেন। এর ফলে নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
“আমাদের কাছে ষড়যন্ত্রকারী উপদেষ্টাদের নাম ও তাঁদের কণ্ঠ রেকর্ড আছে। সভায় তাঁরা কী বলেন, তার সব তথ্য আমাদের কাছে রয়েছে। এখনো আমরা জনগণের সামনে প্রকাশ করছি না—সংশোধনের সময় দিচ্ছি। কিন্তু যদি সময়মতো ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, আমরা জনসম্মুখে সব প্রকাশ করব।”
“একটি বিশেষ দলের অনুগত ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ সিভিল ও পুলিশ প্রশাসনে বসানোর মাধ্যমে নিরপেক্ষ প্রশাসনকে দলীয়করণ করা হচ্ছে। এতে সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।”
তাহের আরও বলেন, প্রশাসনে যোগ্য ও সৎ ব্যক্তিদের পদায়ন না হলে নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হবে। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান—
“জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে নিরপেক্ষ ও যোগ্য কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দিন। নয়তো জনগণ নিজেরাই অন্যায়কারী উপদেষ্টাদের জবাব দেবে।”
প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করে জামায়াত নেতা বলেন,
“আপনি সৎ ও সরল মানুষ, কিন্তু কিছু উপদেষ্টা আপনার সরলতার সুযোগ নিচ্ছে। তাদের সরিয়ে দিন, নাহলে জনগণই তাদের সরিয়ে দেবে।”
এ সময় তাহের সতর্ক করে বলেন,
“যুবসমাজ এখন অন্যায়ের বিরুদ্ধে জেগে উঠেছে। ষড়যন্ত্রকারীরা বেশিদিন টিকতে পারবে না।”