আজ বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এ শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তাজুল ইসলাম বলেন, “শেখ হাসিনা রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে গণ্ডগোল লাগানোর চেষ্টা করেছেন। তিনি সেনাবাহিনীকে উসকে দিয়ে বলেছেন— ‘তোমাদের অফিসারদের বিচার হয়, তোমরা কেন রুখে দাঁড়াচ্ছ না?’ অর্থাৎ রাষ্ট্রে একটি সিভিল ওয়ারের পরিস্থিতি তৈরি করতে চেয়েছিলেন। তবে বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী এবং সাধারণ জনগণ সেই ফাঁদে পা দেয়নি।”
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, “যারা এখানে আসামি হয়েছেন— শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান— তাদের মধ্যে সামান্যতম অনুশোচনাও নেই। বরং তারা সাক্ষীদের হুমকি দিচ্ছেন, তাদের বাড়িঘর ধ্বংসের কথা বলছেন এবং এমনকি মরদেহ বঙ্গোপসাগরে ফেলে দেওয়ার হুমকিও দিচ্ছেন।”
তিনি অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞে হাজার হাজার মানুষ নিহত ও ৩৫ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন। “শিশু, নারী, ছাত্র— কেউ রক্ষা পায়নি, তবুও তাঁর মধ্যে সামান্যতম রিমোর্স নেই,” বলেন তাজুল ইসলাম।
চিফ প্রসিকিউটর আরও জানান, এই মামলায় উপস্থাপিত প্রমাণগুলো “হিমালয়ের মতো দৃঢ় এবং ক্রিস্টালের মতো স্বচ্ছ”— যা দুনিয়ার যেকোনো আদালতে অপরাধ প্রমাণের জন্য যথেষ্ট।
আদালত আগামী ১৩ নভেম্বর পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছে। ওইদিন জানানো হবে, কবে রায় ঘোষণা করা হবে।
2 thoughts on "চিফ প্রসিকিউটর: সেনাবাহিনীকে উসকে দিয়ে রাষ্ট্রে গৃহযুদ্ধ লাগাতে চেয়েছিলেন শেখ হাসিনা"