দক্ষিণ কোরিয়ার বন্দরনগরী বুসানে শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠক। বৈঠকটি তিন থেকে চার ঘণ্টা স্থায়ী হতে পারে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (এপেক) দেশগুলোর ৩২তম শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দক্ষিণ কোরিয়া সফরে রয়েছেন দুই নেতা। এর ফাঁকে বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সকালে বুসানে তাঁদের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়।
রয়টার্সের খবরে জানা যায়, স্থানীয় সময় সকালেই ট্রাম্প প্রথমে বুসানের গিমহায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। কিছুক্ষণ পর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বিশেষ উড়োজাহাজ সেখানে অবতরণ করে।
এর আগের রাতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং ট্রাম্পের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করেন। সেখানে ট্রাম্প জানান, বৈঠকটি “খুবই ফলপ্রসূ ও ইতিবাচক” হতে পারে বলে তিনি মনে করছেন।
দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এটিই যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের রাষ্ট্রপ্রধানদের প্রথম মুখোমুখি বৈঠক। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, আলোচনায় বাণিজ্যবিরোধ, শুল্কারোপ, প্রযুক্তি প্রতিযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যু প্রধানভাবে উঠে আসবে।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান বৈঠকটি যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের নতুন দিক উন্মোচন করতে পারে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধ ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে।
ট্রাম্প এর আগে মালয়েশিয়ায় আসিয়ান সম্মেলনে অংশগ্রহণের পর জাপান সফর করেন। দক্ষিণ কোরিয়ায় এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে তাঁর এশিয়া সফর শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।