ঈদের দ্বিতীয় দিন পরিবার-পরিজন নিয়ে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ভিড় করছেন মানুষ। রোববার (৮ জুন) সারাদেশের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে যেমন—পাহাড়, সাগর ও পার্কে—দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। আনন্দ ভাগাভাগি করতে অনেকেই ছুটে গেছেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এসব স্থানে।
পাহাড়ের নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে তিন পার্বত্য জেলায় বেড়েছে ভ্রমণপিপাসুদের আনাগোনা। কাপ্তাই লেক, শুভলং ঝরনা, মেঘলা, নীলাচল, সাজেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে ছুটে যাচ্ছেন অনেকে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগামী এক-দুদিনের মধ্যে স্পটগুলোয় দর্শনার্থীদের ভিড় আরও বাড়বে।
এদিকে, ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ঢল নেমেছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে। ভ্রমণপিপাসু মানুষের কোলাহলে মুখর সৈকতের সব পয়েন্ট। পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব নিয়ে দূর-দূরান্ত থেকে এসেছেন অনেকে। যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততা ভুলে উপভোগ করছেন সাগরের নীল জলরাশির সৌন্দর্য।
অন্যদিকে, নরসিংদীর বিভিন্ন পর্যটন স্পটেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে দর্শনার্থীর সংখ্যা। বেশিরভাগেরই আকর্ষণ ড্রিম হলিডে পার্ক। বিভিন্ন রাইডে চড়ার বায়না শিশুদের। এছাড়া, ওয়াটার ওয়ার্ল্ডের জন্য টিকিট কাটছেন সব বয়সী বিনোদনপিপাসুরা।
ঈদের ছুটিতে শিশুপার্ক, উদ্যান কিংবা নদীপাড়—সবখানেই এখন কোলাহল। শিশু-কিশোর থেকে বড়রাও ঘুরে বেড়াচ্ছেন নাগরিক জীবনের কোলাহল থেকে দূরে। অনেকে যাচ্ছেন পরিবার-পরিজন নিয়েও। এমন পরিবেশে খানিকটা সময় কাটাতে পেরে উচ্ছ্বসিত বিনোদনপ্রেমীরা।
এছাড়াও সিলেটে সাদাপাথর উন্মুক্ত করে দেয়ায় সকাল থেকেই ভোলাগঞ্জে মানুষের সমাগম। মেঘ-পাহাড়ের অপরূপ সৌন্দর্য্য, সাথে, স্বচ্ছ জলধারা। তারমাঝে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মাতোয়ারা সবাই। অনেকে আবার বেড়াচ্ছেন জাফলং, বিছানাকান্দি, রাতারগুলসহ দর্শনীয় অন্য স্পটগুলোতে।
thc lollipops delivery available with global access